অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ক্রিকেট খেলা যেকোনো সফরকারী দলের জন্যই এক বিরাট পরীক্ষা। বিশেষ করে কুইন্সল্যান্ডের কন্ডিশনে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যাটার ও বোলার উভয়ের জন্যই থাকে ভিন্ন মাত্রা। এবার সেই ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ দল। গত ১৩৯ বছরের আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে যে মাইলফলক কেউ স্পর্শ করতে পারেনি, এবার সেটিই করে দেখানোর অনন্য সুযোগ এসেছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের সামনে।
অস্ট্রেলীয় উইকেটের বাড়তি পেস ও বাউন্স সামলানো বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের প্রস্তুতি এবং ক্রিকেটারদের ইতিবাচক মানসিকতা নতুন করে আশা জাগাচ্ছে। ম্যাচের আগে অধিনায়ক ও কোচিং স্টাফ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রতিপক্ষের কন্ডিশনকে ভয় না পেয়ে নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতেই মাঠে নামবেন তারা। বিশেষ করে টপ অর্ডার ব্যাটিংয়ের দৃঢ়তা এবং পেস বোলিং আক্রমণের ধার এই ম্যাচে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
ম্যাকাইয়ের এই ঐতিহাসিক লড়াইকে কেন্দ্র করে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যেও বিরাজ করছে ব্যাপক উত্তেজনা। পেছনের সব পরিসংখ্যান ও ইতিহাসের খরা কাটিয়ে বাংলাদেশ কি পারবে নতুন কোনো ইতিহাস লিখতে? সঠিক পরিকল্পনা ও মাঠে তার নিখুঁত বাস্তবায়নই বলে দেবে, ১৩৯ বছরের ইতিহাস ভেঙে ম্যাকাইয়ের মাটিতে লাল-সবুজের পতাকা উড়বে কি না।