বিশ্বব্যাপী বৈশ্বিক অস্থিরতা, সংঘাত ও উত্তেজনা নিরসনে বহুপাক্ষিক কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ। একটি শান্তিপূর্ণ ও সমঝোতামূলক বিশ্ব গড়ে তুলতে জাতিসংঘকে মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখতে চায় ঢাকা। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা এবং বহুপাক্ষিক কাঠামোর শক্তিশালীকরণই বর্তমান বিশ্ব সংকট কাটিয়ে ওঠার একমাত্র পথ।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের মূল নীতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এই ঐতিহাসিক পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত এবং অর্থনৈতিক মন্দার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি। বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অসামান্য অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বৈশ্বিক সংস্থাটিকে আরও কার্যকর করার আহ্বান জানান।
আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মকানুনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তুলতে জাতিসংঘকে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। ছোট-বড় সব দেশের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমঝোতার পরিবেশ তৈরি করাই বর্তমান সময়ের প্রধান দাবি।