বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকালে রাজধানীর রামপুরা ও বাড্ডা এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা কামরুল ইসলামের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলে ট্রাইব্যুনালে জানিয়েছেন মামলার জেরা হওয়া সাক্ষী। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরার জবাবে জবানবন্দিদাতা সাক্ষী এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।
আদালত সূত্র জানায়, জেরা চলাকালে আসামিপক্ষের আইনজীবী সাক্ষীকে রামপুরা-বাড্ডা এলাকার সংঘাত ও হত্যাকাণ্ডে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেন। জবাবে সাক্ষী উল্লেখ করেন যে, বর্ণিত দিনের সুনির্দিষ্ট ঘটনা বা হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতাদের তালিকায় কামরুল ইসলামের প্রত্যক্ষ উপস্থিতি বা আদেশের প্রমাণ তাঁর জানা নেই। সাক্ষীর এই বক্তব্যের পরপরই আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কামরুল ইসলামকে এই ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে মামলায় অন্যান্য পারিপার্শ্বিক তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তির বিষয়টি পুনরায় তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্ট বিচারক উভয় পক্ষের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং মামলাসংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করেন। সাক্ষ্যের এই মোড় নেওয়ার পর আদালত পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করে বিচারিক কাজ মুলতবি ঘোষণা করেন।