সৌদি আরবে কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকায় যুক্ত হয়েছে আরও ২০ জনের নাম। তবে সম্প্রতি সাজাপ্রাপ্ত এই প্রবাসীদের ঠিক কী অপরাধে এবং কী মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। এর আগে আলোচিত প্রবাসী নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের ক্ষেত্রেও একইভাবে বিস্তারিত সাজা ও অপরাধের বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।
কূটনৈতিক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের পর সৌদির আদালতে তাঁদের বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তাঁদের কারাদণ্ড প্রাপ্তির বিষয়টি অবহিত করে। তবে প্রেরিত তালিকায় কেবল সাজাপ্রাপ্তদের নাম ও জাতীয় পরিচয়ের প্রাথমিক তথ্য থাকলেও, তাঁদের শাস্তির মেয়াদ বা কোন ধারায় বিচার হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি।
প্রবাসীদের নিয়ে কর্মরত মানবাধিকার কর্মী ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, বিদেশের মাটিতে যেকোনো দেশের নাগরিকের আইনি সুরক্ষা ও আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার রয়েছে। শাস্তির কারণ স্পষ্ট না থাকায় স্বজনদের মধ্যে গভীর দুশ্চিন্তা তৈরি হচ্ছে এবং যথাযথ আইনি আপিল প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে।
বর্তমানে সৌদি আরবে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে সৌদিতে আটক বা দণ্ডপ্রাপ্ত প্রবাসীদের বিষয়ে দূতাবাসের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য জোর তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।