জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পরপর দুই দিন বিপুল আয়োজনে ‘গরুভোজ’ বা গরুর মাংস দিয়ে নৈশভোজকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক মহলে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চ ও কাঁঠালতলা সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এই ভূরিভোজের সার্বিক উদ্দেশ্য এবং প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে ক্যাম্পাসে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই দিনে ক্যাম্পাসে পৃথক উদ্যোগে বিপুল পরিমাণ গরুর মাংস রান্না করে এ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী সারিবদ্ধভাবে উপস্থিত হয়ে রাতের খাবারে অংশ নেন। তবে হঠাৎ করে পরপর দুই দিন এভাবে বড় পরিসরে গরুভোজের আয়োজন করার পেছনের কারণ এবং এর অর্থায়নের উৎস কী, তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে কৌতূহল ও ধোঁয়াশার তৈরি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এই ভোজের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে বিতর্ক ও বিশ্লেষণ শুরু হয়। একদল শিক্ষার্থী বিষয়টিকে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের আপ্যায়ন হিসেবে বর্ণনা করলেও, অপর অংশ ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তারা জানান, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা রক্ষায় যেকোনো আয়োজনের ক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন এবং ঘটনাটির সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।